জোছনাতরীতে সাজেক ভ্রমণ
Jochhnatori - জোছনাতরী

Du 24/08/2017 22h00 au 27/08/2017 06h00

Fuseau horaire : Dhaka (GMT+06:00)

সাজেক ভ্যালি- Sajek Valley, Baghaichari Upazila, Rangamati
Sajek Union, Baghaichari Upazila
4500 Rangamati
Bangladesh
এবার জোছনা ধরতে যাচ্ছি না। যাচ্ছি মেঘ ধরতে। আর অমাবস্যার রাতে ভাগ্য ভাল থাকলে ছায়াপথের দেখাও যদি পেয়ে যাই আরকি ... দেখা যাক কি পাই। তবে এতটুকু বলতে পারি, পাহাড়ের সাথে মেঘের মিতালী অবশ্যই দেখতে পাব... আর যদি ইহা দেখতে চান তাহলে আমাদের ছোট তরীতে উঠতে পারে এই ট্যুরে ...
আশা করি ভাল লাগবে সবার।
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

যাত্রার তারিখ :২৪/০৮/১৭ রাত ৯.০০টায়।
ফেরার তারিখ :২৭/০৮/১৭ সকাল ৬টায় ।
ভ্রমণের খরচ: জনপ্রতি ৪,৮০০টাকা (নন এসি)
জনপ্রতি ৬০০০টাকা (এসি বাস)
১৫/০৮/২০১৭ এই তারিখের মাঝে ০১৭৯৩১৮৩৫০৮ এই নাম্বারে ২০৪০ টাকা বিকাশ করে আপনার বকিং কনফার্ম করুন।
যোগাযোগ :01793183508, 01689546472, বুকিং এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন ।
গাড়ির হর্ণ ও নানা রকম বিরক্তিকর শব্দ, বাসা, অফিস আর ইট, পাথর ও কংক্রিটের জনাকীর্ণ অরণ্যে যদি আপনি হাঁপিয়ে উঠেন তবে আসুন আমাদের সাথে পাহাড়ি নৈসর্গিক সুন্দরের লীলাভূমিতে, যেখানে পাহাড় কন্যা সাজেক তাঁর রূপ যৌবন উজাড় করে দেবে আপনার দর্শনে। কি চঞ্চলাই না সাজেক, মুহূর্তেই তাঁর ভূষণ বদলায়। কখনো সাদা মেঘে জড়ায়, কখনো কুয়াশার চাদরে মোড়ায়, কখনো ধূসরবর্ণ, আবার কখনো সবুজ শাড়িতে জড়ায়। আচ্ছা ভাবুনতো, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন আর একদল মেঘ আপনাকে ছুঁয়ে গেল কেমন হবে? এটা শুধু সাজেকেই সম্ভব।
আবার দিবাকর যখন তাপ বিকিরণ করে তখন রুদ্র নীল আকাশের নিচে স্তরে স্তরে পাহাড় গুলোকে মনে হয় যেন সবুজের ঢেউ। পাহাড়ের গায়ে থোকায় থোকায় কালো মেঘের ছায়ার দৃশ্য মন কেড়ে নেয়ার মত। ভাগ্য দেবতা প্রসন্ন হলে আপনিও শীতল হতে পারেন মেঘের ছায়ায়। এরই মাঝে আবার হয়তো এক পশলা বৃষ্টি এসে আপনাকে ভিজিয়ে দিবে। মেঘ, বৃষ্টি, রোদ-ই পাহাড় কন্যার আসল চরিত্র।
আসলে একবারের দর্শনে পাহাড় কন্যার পূর্ণ দর্শন হয় না। কারণ এ মেয়ে যে বড়ই চঞ্চলা, বড়ই দুষ্ট। প্রতিটি ঋতুতে, মাসে, দিনে, এমনকি ক্ষণে ক্ষণে তাঁর রূপ বদলায়। দূরে লুসাই পাহাড়ও তাঁর রূপ বৈচিত্র আর নাটকীয়তায় মুগ্ধ হয়ে পড়ে। আসলে সাজেক কেমন দেখলেন সেটা নির্ভর করে আপনি তাকে কোন সময় দেখলেন তাঁর উপর।
যাইহোক, রাতে কিন্তু সাজেক ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপ ধারণ করে। উপভোগ করতে চাইলে চলে যাবেন হাটতে হাটতে একটু নির্জনে। প্রকৃতির একেবারে কাছে, দেখবেন আকাশ ভরা তারার মেলা সেই সাথে পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা মেঘমালার দৃশ্য আমাবস্যা তিথিতেও চোখ এড়ায় না। ঝির ঝির হিমেল বাতাসে এই গরমেও শরীরে কাঁপুনি লাগে। আশপাশের জঙ্গল, ঝোপঝাড় থেকে আসা বন্য প্রাণীর কত রকম ডাকা-ডাকি, পোকা-মাকড়ের শব্দ, বাতাসের স্পর্শে গাছে পাতার শব্দ, বাতাসের শব্দ সব মিলিয়ে এক নতুন ঝংকার তৈরি হয়। সেই সাথে নগর সভ্যতার ক্লান্তি, গ্লানি, হতাশা বাতাসে মিলিয়ে যায় অন্য কোন শহরে কিংবা নগরে।
২৪/০৮//১৭ তারিখ রাত ৯.০০টায় ফকিরাপুল থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। বাহন: এস আলম / শ্যামলী পরিবহন
খাগড়াছড়ির বিভিন্ন স্পট ঘোরা যেমন :
১) রিসাং র্ঝনা
২) আলুটিলা গুহা
৩) সাকংসস নগর বৌদ্ধ মন্দির
৪) জেলা পরিষদ পার্ক।
২৫/০৮/১৭ রাতের আহার শেষ করে ৮.৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা।
যা যা থাকছে ভ্রমণের এর মাধ্যে:
১) ঢাকা খাগড়াছড়ি Non Ac বাসের আপ-ডাউন টিকেট
২) চান্দের গাড়ি ২দিন রিজার্ভের খরচ
৩) ১রাত থাকার ( কাঠের কটেজ ) খরচ ও ৬ বেলা খাওয়ার খরচ।
৪) সাজেকে বার বি কিউ ডিনার
* বুকিং এর নিয়ম: বুকিং চার্জ জনপ্রতি ২০০০ টাকা। চার্জ প্রদান করে আপনার আপ-ডাউন বাসের আসন বুঝে নিন।.
*সরাসরি এসে বুকিং দিতে পারেন অথবা বিকাশ এ বুকিং করতে পারেন।
Bkash Personal : 01793183508.
যেকোন মাধ্যমে বুকিং চার্জ বা সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে পারেন।
তথ্য সমূহ :
1) ৩ রাত ২ দিন ভ্রমণের খরচ ৪,৮০০ Non Ac (৬০০০ এসি) টাকা প্রতি জন। ।
2) হোটেল রুম ( প্রতি ২/৪ জনের জন্য একটি রুম )
3) প্রতি জিপে ১২-১৪ জন।
4) খাগড়াছড়িতে ফ্রেশ হওয়ার জন্য গ্রুপ ওয়াশ রুম
খাবার মেন্যু-
সকালের নাস্তা -ডিম +সবজি +পরটা +চা অথবা খিচুড়ি +ডিম ভুনা
দুপুরের অাহার -মুরগীর মাংস /মাছ+সবজি +ডাল +সাদা ভাত
রাতের অাহার - মুরগীর মাংস/মাছ +সবজি +ডাল+সাদা ভাত
স্পেশাল ডিনার : সবজি + ফিশ ফ্রাই +ভর্তা +বেম্বু চিকেন +ডাল +সাদা ভাত
যা যা দেখব :১. সাজেক ভ্যালী ২.কংলাক পাড়া ৩.রিছাং ঝরনা ৫.আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ ৬.সাকংসস নগর বৌদ্ধ মন্দির ৭.ঝুলন্ত ব্রীজ( জেলা পরিষদের পার্ক)
যা যা ভ্রমণের মধ্যে থাকছে না:
১) বাসের যাত্রা বিরতির খাবার
২) দর্শনীয় স্থান সমুহের টিকেট (প্রবেশ ফি)
৩) ব্যক্তিগত খরচ যেমন লন্ড্রি, টেলিফোন কল, মিনারেল ওয়াটার , নরম ও হার্ড ড্রিংকস
৪) উল্লিখিত ভ্রমণপথের তুলনায় অতিরিক্ত ঘুরে বেড়ানো বা গাড়ির অতিরিক্ত ব্যবহারের খরছ।
৫) প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিধস , রাস্তা অবরোধের , রাজনৈতিক গোলযোগ ( ধর্মঘট ) ইত্যাদি কারণে উদ্ভূত কোন খরচ ক্রেতা ও ভোক্তাকে সরাসরি ঘটনাস্থলেই বহন করতে হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :
১। বুকিং-এর টাকা অফেরত যোগ্য
২। ভ্রমণের ৩দিন আগে পুরো টাকা পরিশোধ করতে হবে।
কি কি নিতে হবে-
১) ব্যাগ ২) গামছা ৩) ছাতা ৪) টুথপেষ্ট+ সাবান+শ্যম্পু ৫) কেডস/ সেন্ডেল ৬) ক্যামেরা+ব্যাটারী+চার্জার ৭) পলিথিন ৮) সানক্যাপ ৯) সানগ্লাস ১০) সানব্লক ১১) টিস্যু ১২) ব্যক্তিগত ঔষধ ১৩) লোশন
Source: www.facebook.com